বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২০ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ
ঢাকার দোহারের আন্তা গ্রামের মলি আক্তারকে জবাই করে হত্যার ২৩ দিন পর মূল আসামী সাবেক স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১ এর একটি দল। মঙ্গলবার সকালে নোয়াখালীর চর জব্বার থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১৪ মার্চ ভোরে মলিকে হত্যা করে লাশ তার বাড়ির উঠানে ফেলে রাখা হয়। মলি আন্তা গ্রামের বাদশা বাবুর্চির মেয়ে।
পুলিশ সূত্রে জানায়, প্রবাসে একই কোম্পানীতে চকুরির সুবাদে আসামি মো: ইসমাইল হোসেন (৩৬) এর সাথে ভিকটিম মলির পরিচয় হয়। প্রায় ০৭ বছর পূর্বে ভিকটিমকে আসামি মো: ইসমাইল হোসেন দেশে ফিরে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করে। বিয়ের পর হতে বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মধ্যে দাম্পত্য জীবনে কলহ শুরু হয়। উক্ত কলহের জেরে আসামি মো: ইসমাইল হোসেন ভিকটিমকে বিভিন্ন সময় মারধর করত। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে।
ঘটনার একমাস পূর্বে ভিকটিম দেশে ফিরলে আসামি ইসমাইল হোসেনও দেশে ফিরে ভিকটিমের সাথে বিভিন্ন উপায়ে যোগাযোগের চেষ্টা করে। এরপর গত ১৪ মার্চ ভোর অনুমান ০৪.১০ ঘটিকার সময় আসামি ইসমাইল হোসেন ভিকটিমকে মোবাইল ফোনে দোহারে ভিকটিমের বাবার বাড়ী হতে বাইরে আসেত বলে। এসময় মলি বের হলে তাঁকে ওই স্বামীসহ ২/৩ জন ছুরিকাঘাত করে গুরুতর জখম করে পালিয়ে পায়। ডাক চিৎকারের শব্দ শুনে ভিকটিমের পরিবারের লোকজন তাৎক্ষণিক দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় দোহার থানায় মলির বাবা একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে মামলাটি নিয়ে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১০, ঢাকা আসামীকে ধরতে কাজ শুরু করে।
মঙ্গলবার ভোরে র্যাব-১১ এর সহায়তায় র্যাব-১০ এর মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরের একটি দল ইসমাইলকে তার বাড়ি নোয়াখালীর চর জব্বার হতে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার বিকেলে আসামীকে দোহার থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করের র্যাব-১১
দোহার থানার ওসি আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, র্যাবের সহায়তায় মলি হত্যার মূল আসামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রিমান্ড এনে জিজ্ঞাসাবাদের পর অন্য কেউ জড়িত কিনা তা জানা যাবে।